Breaking News
Home / Uncategorized / মঞ্চেই অরিজিৎ’র অশ্লীল গালি, হতবাক নেট দুনিয়া! (ভিডিও)

মঞ্চেই অরিজিৎ’র অশ্লীল গালি, হতবাক নেট দুনিয়া! (ভিডিও)

সম্প্রতি, একটি গানের আসরে গান গাইছিলেন জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী অরিজিৎ সিং। দর্শকদের অনুরোধে একের পর এক গানের আবদারও পূরণ করছিলেন বেশ হাসিখুশি মেজাজেই। আর দর্শক মত্ত ছিলেন অরিজিতের গানের যাদুতে। ভালোই চলছিল সবকিছু, কিন্তু হঠাৎ করে গানের তাল কাটল অরিজিৎ সিং,র অশ্লীল গালির শব্দে। অরিজিতের মুখে গানের আসরে এই শব্দের ব্যবহারে হতবাক সবাই। তবে সঙ্গে সঙ্গে মাইকটি ঠিক করেও দেওয়া হয়। আর এই ভিডিওটিই এখন ইন্টারনেটে ভাইরাল। ইউটিউবে বলিউড গান সার্চ করলেই ট্রেন্ডিং তালিকায় সবার প্রথমে যে নামটি আসে সেটি হলো অরিজিৎ সিং। একের পর এক জনপ্রিয় গান গেয়ে সব চার্ট বাস্টারেই তিনি এখন সেরা। তবে এবার অরিজিৎ সিং তার গানের জন্য নয়, বরং কারণে গালি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হলেন।

নিয়মিত হাঁটছেন কাদের, ফিরবেন এপ্রিলের শেষে
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। হাসপাতাল থেকে সিঙ্গাপুরেই একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকছেন তিনি। বাসার পাশেই পার্কে প্রতিদিন হাঁটাচলা করছেন তিনি। এপ্রিলের শেষদিকে ‍তিনি দেশে ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সূত্র। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠা তার দীর্ঘদিনের অভ্যাস। সে হিসেবে ভোরের আলো ফুটবার সঙ্গে সঙ্গে তার দিন শুরু হয় উল্লেখ করে ঘনিষ্ঠ ওই সূত্র আরও জানায়, দেশে ফেরার জন্য তার অপেক্ষা থাকে প্রতিদিন। তার সঙ্গে সার্বক্ষণিক থাকছেন তার স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদের। এছাড়া ব্যক্তিগত তিন থেকে চার জন কর্মকর্তা তাকে দেখেশুনে রাখছেন।

এদিকে, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে ডাক্তাররা আগে জানিয়েছিলেন ওবায়দুল কাদের মধ্য এপ্রিলে দেশে ফিরে যেতে পারবেন। সে হিসেবে এখন তার দেশে আসার কথা। তবে এ সপ্তাহে নয়, পিছিয়েছে তারিখ। এছাড়া মাস শেষ হলে যে কোনো দিন তিনি ফিরতে পারেন—এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সেখানে থাকা মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একজন।গত ৩ মার্চ ভোররাতে ঢাকায় নিজ বাড়িতে শ্বাসকষ্ট শুরু হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন ওবায়দুল কাদের। সেখানে দ্রুত এনজিওগ্রাম করা হলে তার হৃৎপিণ্ডের রক্তনালীতে তিনটি বড় ব্লক ধরা পড়ে। এরমধ্যে একটি ব্লক স্টেন্টিংয়ের (রিং পরানো) মাধ্যমে দ্রুত অপসারণ করেন চিকিৎসকরা।

একাদশে ভর্তিতে তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ হচ্ছে কলেজ
একাদশে ভর্তির ক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি কলেজগুলোকে তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে। গত বছর ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা এবং উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এ, বি ও সি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হবে। ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা যাতে বিভ্রান্ত ও প্রতারণা শিকার না হয়, সে জন্য কোন কলেজ কোন শ্রেণিতে তা নির্ধারণে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, ৬৫০ শিক্ষার্থী এবং পাসের হার ৭০ শতাংশের বেশি থাকলে সেই কলেজ হবে ‘এ’ ক্যাটাগরির। ৬০০ শিক্ষার্থী এবং পাসের হার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ থাকলে সেটি হবে ‘বি’ ক্যাটাগরির। আর ‘সি’ ক্যাটাগরিতে থাকবে ৬০০-এর কম শিক্ষার্থী এবং ৫০ শতাংশের নিচে পাসের হার থাকা কলেজগুলো। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বলেন, ‘ক্যাটাগরি করার মাধ্যমে আমরা কলেজগুলোকে মূল্যায়ন করতে পারব। পরে আমরা দেখতে পারব, কারা নিচ থেকে ওপরে উঠে এসেছে। আবার কারা ওপর থেকে নিচে নেমে গেছে। যারা ভালো করতে পারছে না তাদের সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করতে পারব।

জানা গেছে, দেশে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি উপযোগী কলেজের সংখ্যা চার হাজার ৬০০-এর বেশি। এতে আসনসংখ্যা প্রায় ২১ লাখ। রাজধানীতে দেড় শতাধিক কলেজ রয়েছে, যাদের আসনসংখ্যা ৫০ হাজারের ওপরে। কিন্তু সেগুলোর মধ্যে মানসম্মত কলেজের সংখ্যা ২৫ থেকে ৩০, যাদের আসন ২০ হাজারের বেশি হবে না। আগের বছরগুলোর ভর্তির তথ্যানুযায়ী, বেশি আবদেন পড়া কলেজগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগে আছে ৭৫টি, রংপুর বিভাগে ৩২টি, বরিশালে ১৪টি, রাজশাহীতে সাতটি, চট্টগ্রামে ১৯টি, খুলনা বিভাগে ১৩টি এবং সিলেট বিভাগে ২৩টি। সব কলেজ মিলিয়ে আসনসংখ্যা ৬০ থেকে ৭০ হাজারের বেশি হবে না। ফলে জিপিএ ৫ পেয়েও সবার পক্ষে মানসম্মত কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই। জানা গেছে, এবার জিপিএ ৫ পেয়েছে এক লাখ পাঁচ হাজার ৫৯৪ জন। জিপিএ ৪ থেকে ৫-এর মধ্যে আছে পাঁচ লাখ ১৫ হাজার ৮১৮ জন। জিপিএ ৪ থেকে ৩.৫-এর মধ্যে আছে চার লাখ আট হাজার ৬৭৯ জন। জিপিএ ৩ থেকে ৩.৫-এর মধ্যে আছে চার লাখ আট হাজার ৯৭১ জন।

About admin

Check Also

নিজের মেয়েকে গলাটিপে হত্যাকারী সেই কলংকিত বাবা নামের নরপশুকে আটক করেছে র‍্যাব !

রংপুরের চাঞ্চল্যকর শিশু আলিফা হত্যার আসামী ঘাতক পিতা মোঃ আলাল (দুদু) রাজধানীর তেজগাঁও এর তেজতুরী …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *