Breaking News
Home / Entertainment / বন্ধ হতে পারে কলকাতার জনপ্রিয় অনেক ধারাবাহিক!

বন্ধ হতে পারে কলকাতার জনপ্রিয় অনেক ধারাবাহিক!

কলকাতার চলচ্চিত্র-পল্লি টালিগঞ্জে টেলিভিশনের মেগা সিরিয়ালের শিল্পীরা লাগাতার ধর্মঘট শুরু করেছেন। গত শনিবার (১৮ আগস্ট )থেকে তারা এই ধর্মঘট অব্যাহত রেখেছেন। তবে পাশাপাশি সবপক্ষের সঙ্গে আলোচনাও অব্যাহত রয়েছে। যদিও সোমবার (২০ আগস্ট) পর্যন্ত বিবাদমান দুপক্ষের মধ্যে কোনো ইতিবাচক বৈঠক হয়নি। ফলে হুমকির মুখে টেলিভিশনের মেগা সিরিয়ালের ভবিষ্যৎ। ফেডারেশন, আগস্ট আর্টিস্ট ফোরাম এবং প্রযোজকদের মধ্যে এই বিরোধের কারণ পাওনা টাকা।

এই বিষয়ে আজ সোমবার (২০ আগস্ট) বিকালে কলকাতার টেকনিশিয়ান স্টুডিওতে সাংবাদিক বৈঠক করে ফেডারেশন ও আর্টস ফোরামের নেতারা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, অরিন্দম গঙ্গোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ছিলেন রাজ্যের যুব মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস।
মেগা সিরিয়ালের শিল্পী ও কলাকুশলীদের এই দুটি সংগঠনের যৌথ বক্তব্য হচ্ছে, প্রযোজকরা সঠিক সময়ে শিল্পীদের পারিশ্রমিক দিচ্ছেন না। কোনো কোনো প্রযোজক সংস্থা ছয় মাসের পারিশ্রমিকও আটকে রাখছেন।

সাংবাদিক বৈঠকে অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ফেডারেশন এবং আর্টিস্ট ফোরামের পক্ষ থেকে আমরা ৭ জুলাই প্রযোজকদের সঙ্গে চুক্তি করেছিলাম। ওই চুক্তিতেই পরিষ্কার বলা ছিল তারা দ্রুততার সঙ্গে শিল্পীদের পাওনা টাকা দিয়ে দেবেন। চুক্তির পর প্রযোজকদের কেউ কেউ বলছেন তারা ওই চুক্তি মানবেন না। প্রযোজকরা আগেই এই কথা বলতে পারতেন। কিন্তু সে সময় তারা কেন এই কথা বলেননি। শিল্পীদের সঙ্গে প্রযোজকদের মধ্যস্থতাকারী স্বরূপ বিশ্বাস অনুরোধ করে বলেন, তিনি ফেডারেশন এবং আর্টিস্ট ফোরামের কাছে অনুরোধ করেছেন যে তারা যেন সেটে অভিনয় শুরু করেন। কোনোভাবেই যেন টেলিভিশনের দর্শকরা বঞ্চিত না হোন।

এদিকে, শিল্পীদের প্রতিনিধি আরেক অভিনেতা ভরত কল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, কোনোভাবেই এই ধর্মঘট প্রত্যাহার করছি না। ফলে শুটিংও বন্ধ থাকবে। প্রযোজকদের কাছে আমরা শিল্পীরা শুধুমাত্র ওভারটাইমের বকেয়া টাকাটাই দাবি করেছিলাম। তিনি দাবি করেন, এই আন্দোলনে তারা পাশে পেয়েছেন অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও প্রসেনজিৎ এর মতো অভিনেতাদের।

কেউ মিথ্যা বলে একান্ত ঠেকায় পড়ে, কেউবা মিথ্যা বলে কথায় কথায়। একটা সময় এমন হয়, মিথ্যা বলাটাই তার স্বভাব হয়ে দাঁড়ায়। প্রেমিকার কাছে নিজেকে উপস্থাপন করতে গিয়েও কেউ কেউ আশ্রয় নেয় মিথ্যার। কিছু সত্যি হয়তো লুকিয়ে রাখে। অনেক বিষয়েই মন খুলে আলাপ করে না। কখনো কখনো ঠকিয়েও চলে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে আসা মানুষটিকে। আপনার প্রেমিক মিথ্যাবাদী কি না বুঝতে হলে চোখ বুলিয়ে নিন-

যেকোনোকিছু বাড়িয়ে বলা বা অতিরঞ্জিত করে ফুটিয়ে তোলা নিশ্চিত মিথ্যাবাদীর লক্ষণ। সে যদি এমনটা করে এবং আপনি তা বুঝতে পারেন তবে জেনে নিন, সে নিঃসন্দেহে মিথ্যা বলছে। যদি সে তার ব্যক্তিগত কোনো কথা বা জীবনের কোনো গল্প বলতে গিয়ে এমনকিছু শোনায় যা আসলে ঘটেনি বা অনেক রংচং মাখিয়ে উপস্থাপন করে তবে বুঝবেন সে আপনাকে মিথ্যা বলছে। সবসময়ই যদি এমনটা করে তবে সতর্ক হোন।

একসঙ্গে কোনো কাজ করার কথা কিংবা কোথাও যাওয়ার কথা অথচ তার দেখা নেই! মাঝেমধ্যে এমনটা হয়তো হতে পারে। কিন্তু প্রায়ই বিষয়টি ঘটা কিন্তু ভালো লক্ষণ নয়। এভাবে কথা দিয়ে কথা না রাখা উচিত নয়। এরকম হলে তার সঙ্গে সামনাসামনি কথা বলুন। আপনার সামনে একরকম কথা, সবার সামনে অন্যরকম- এরকম হলে সতর্ক হোন। প্রায়ই যদি সে তার বলা কথা অস্বীকার করে এবং আপনাদের মধ্যে কোনও যৌথ সিদ্ধান্ত হলেও পরে সে তা অস্বীকার করে তবে তার সঙ্গে চলা মুশকিল হয়ে বেশিরভাগ মিথ্যাবাদীই ঝামেলা এড়ানোর জন্য ছুতো দেখায়। সে কাজে ব্যস্ত ছিল, রাস্তায় খুব জ্যাম ছিল, বাড়িতে কোনো সমস্যা হয়েছে- এসব কথা বলতে থাকে। মাঝেমধ্যে এসব বিষয় ঘটতেই পারে। তবে সবসময় নিশ্চয়ই ঘটবে না। তাই সে সবসময় ছুতো দেখালে একটু সতর্ক হওয়াই ভালো।

About admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *