Breaking News
Home / Uncategorized / আচানক ঝড়ে লুঙ্গি হারিয়ে বিবস্ত্র প্রায় অর্ধশত পথচারী !

আচানক ঝড়ে লুঙ্গি হারিয়ে বিবস্ত্র প্রায় অর্ধশত পথচারী !

সন্ধ্যার ছায়া নামতে না নামতেই পকাত করে শুরু হয়ে গেলো কালবৈশাখী ঝড়। ঠিক দুমিনিট আগেও কেউ ঠাহরই করতে পারেনি একটুপর কি ঘটতে চলেছে। ঠিত দুমিনিট পরই প্রবল কালবৈশাখী ঝড় এসে লন্ডভন্ড করে দিয়ে গেলো গোটা শহর ! শুধু তাই নয়, আজকের ঝড়ে পরনের জামাকাপড় হারিয়ে শেষ সম্ভ্রমটুকুও হারিয়েছেন অনেকে। লুঙ্গি পরিধানকারী ব্যক্তিরাই সবচেয়ে বেশি হ্যারাজমেন্টের শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়। সংবাদ ধারণের সময় আমরা ঝাঁকে ঝাঁকে নেংটু পথচারীদের দৌড়াতে দেখি। এরমধ্যে দৌড়াতে থাকা এক নেংটুকে আমরা টেনে ধরে রাখি সাক্ষাতকার নেয়ার জন্য। জনৈক ওই পথচারী মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে সাক্ষাতকার দেন। আমরা তাকে প্রশ্ন করি, তোমার নাম কি? তুমি দৌড়াচ্ছ কেনো? কি ব্যাপার? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি আমাদেরকে চোদানি মাগির পোলা সহ আরো নানান গালি দিয়ে ক্যামেরায় থাপড়ানোর চেষ্টা করেন।

কর্ণফুলী নদীতে চালু হচ্ছে ‘ওয়াটার বাস’
কর্ণফুলী নদীতে যাত্রীবাহী ‘ওয়াটার বাস’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। চট্টগ্রাম নগরীর ভয়াবহ যানজট থেকে মুক্তি পেতে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। দ্রুত সময়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে নগরের সদরঘাট থেকে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট পর্যন্ত এ সার্ভিস চলবে। এ বিষয়ে দেশের জাহাজ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নৌ প্রকৌশলী মো. শাখাওয়াত হোসাইন বলেন, ‘জুনে চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো কর্ণফুলী নদীতে ওয়াটার বাস চালু হবে। বর্তমানে জাহাজে বিমানবন্দর থেকে সদরঘাট যেতে প্রায় এক ঘণ্টা সময় লাগে।

ফলে জুন থেকে ২০ মিনিটে ওয়াটার বাসে এ পথ পাড়ি দেওয়া যাবে। আমরা দ্রুতগতি সম্পন্ন চারটি ওয়াটার বাস নির্মাণ করছি। ৩০ জন যাত্রীর ধারণক্ষমতার চারটি বাস দিয়ে সার্ভিসটি শুরু করতে চাই। এদিকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মো. ওমর ফারুক সাংবাদিকদের জানান, ওয়াটার বাস পরিচালনার বিষয়টি চূড়ান্ত হয়েছে। ইতিমধ্যে সদরঘাটের সি-রিসোর্সেস কোম্পানির পূর্বপাশে যাত্রীদের সুবিধার্থে টার্মিনাল নির্মাণের কাজ চলছে। ওয়াটার বাস তৈরির জন্য চট্টগ্রাম ড্রাইডককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই বিমানযাত্রীরা এর সুফল ভোগ করতে পারবেন।

যেসব পুরুষদের এড়িয়ে চলা উচিত
মেয়ে হয়ে জন্ম নেওয়াটা অন্যায় কিছু নয়। তবে জীবন চলার পথে মেয়েদের প্রতিটি পা ফেলতে হবে অত্যন্ত বুঝে শুনে। আমাদের সমাজটা এমন যে, কোনোভাবে মেয়েরা পা পিছলে গেলে তাকে নিয়ে টানা হিছড়া শুরু করেন। একই ক্ষেত্রে পুরুষরা ভুল করলে সেটা নিয়ে কোনো কথা হয় না। তাই জীবনে ভুল এড়িয়ে চলতে চাইলে পা ফেলতে হবে বুঝে শুনে। কারো সঙ্গে মিশতে হবে তাকে জেনে-শুনে। একটা ভুল সারা জীবনের কান্না হতে পারে সেটা মাথায় রেখে সব সময় এগুতে হবে।

কোনো বিবাহিত পুরুষকে যদি আপনার প্রতি একটু বেশিই বন্ধুভাবাপন্ন মনে হয় তাহলে তার থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকাই ভবিষ্যতের জন্য ভালো। প্রায় সব নারীই বেশ জোর গলায় বলে থাকেন যে তাঁরা কোনো বিবাহিত পুরুষের সাথে সম্পর্কে জড়াতে চান না। কিন্তু যে সব পুরুষ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়াচ্ছেন তাদের সঙ্গী কারা? তারাও আমার আপনার মতোই একজন নারী। সূত্রপাতটা বন্ধুত্ব দিয়ে হলেও ধীরে ধীরে আপনাকে সম্পর্কের জালে জড়িয়ে ফেলে ছেলেটি। ছেলেটি প্রথমে বলে আপনি তার ভালো বন্ধু, সে এতোদিনে মনের কথা বলার মত কাউকে পেয়েছে, সে আপনার কথাই ভাবছে, আপনাকে মিস করছে। আরো নানান ধরণের মেকি কথা। এরপর হঠাৎ করেই তার আচরণে নাটকীয় পরিবর্তন আসে। আপনি বোঝার আগেই আপনাকে সে তার জালে জড়িয়ে ফেলতে চাইবে। আপনাকে একটু বেশিই গুরুত্ব দিবে সে। আপনাকে বোঝাতে চাইবে আপনি তার জন্য বিশেষ কেউ। সে বলবে, আপনি তাকে যতটা বোঝেন তার স্ত্রী তাকে এতোটা বোঝে না।

আপনার মত একজনের সঙ্গী সে পছন্দ করে সবসময়। ধীরে ধীরে সে আপনার চোখ, চুল ও রূপের প্রশংসা করবে এবং দুই বন্ধুর আড্ডা থেকে পুরো ব্যাপারটা ডেটিং এ রূপ নিবে। সে তার স্ত্রীর ও সন্তানের কাছে একই রকম থাকবে। কিন্তু সে অন্য সবাইকে বলে বেড়াবে তার একজন যৌনসঙ্গীর চাইতে বাচ্চাদের জন্য আদর্শ মা একজন সংসারী স্ত্রী প্রয়োজন। কারণ যৌন চাহিদা তো সারাজীবন থাকেনা। এভাবে এক পর্যায়ে সে নতুন এই অন্যায় সম্পর্ককে মনে মনে প্রশ্রয় দিয়ে ফেলে। এধরনের একটি সম্পর্কে শেষ পর্যন্ত কেউই সুখী হয় না। এক্ষেত্রে মেয়েটি, ছেলেটির মানসিক ও শারীরিক চাহিদা মেটানোর বস্তুতে পরিণত হয়। মেয়েটিকে ব্যবহার করা হয় সংসারের ঝামেলা থেকে পালানোর হাতিয়ার হিসেবে।

এ ধরণের পুরুষদের চেনার সহজ উপায় হলো, দেখা হওয়ার সাথে সাথেই যারা বন্ধু হওয়ার জন্য বেশি অস্থির হয়ে যায়, তারাই এধরণের পুরুষ। কারণ এ ধরণের পুরুষরা সবার সাথে বন্ধু করে না বরং তাঁরা যে নারীর প্রতি বেশি আকর্ষণ বোধ করে কেবল তাদেরকেই বন্ধুত্বের ফাঁদে ফেলে। তাঁরা সাধাণরত বন্ধুত্বের নাম দিয়ে মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করে এবং এক পর্যায়ে গিয়ে ফ্লার্ট করা শুরু করে। সারাদিন বেশ অনেক বার আপনার মুঠোফোনে ক্ষুদেবার্তা পাঠায় এবং জানাতে চায় যে সে আপনার কথা মনে করছে এবং আপনাকে মিস করছে। এভাবে বন্ধুত্বের নাম দিয়ে আপনার অজান্তেই আপনার মনে প্রেমের সম্পর্কের বীজ বুনে ফেলে এ ধরণের ব্যক্তিরা। এ ধরণের ব্যক্তি তার স্ত্রীকেও আপনাদের বন্ধুত্বের ব্যাপারে জানায়। এসব বিষয়ে সে স্ত্রীর কাছে স্বচ্ছ থাকতে চায় কারণ নিজের মনকে সে বিশ্বাস করাতে পারে না যে সে প্রতারণা করছে।

নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে তাঁরা দোটানায় ভোগে এবং তাঁরা জীবনের কাছে কি চাইছে সেটা নিয়ে দ্বিধাগ্রস্ত থাকে সবসময়। সাবধান! এধরণের ফাঁদে কখনোই পা দেবেন না। কারণ এ ধরণের বিবাহিত পুরুষরা কখনোই আপনার জন্য নিজের স্ত্রীকে ত্যাগ করবে না। বরং পুরুষটির দ্বারা আপনি মানসিক ও শারীরিক ভাবে ব্যবহৃত হবেন। তাই এ ধরণের সম্পর্কে জড়িয়ে গিয়ে থাকলে নিজের মনকে প্রশ্ন করুন যে এই সম্পর্কের ভবিষ্যত কি এবং কেন এমন একজনের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছেন যে কোনোদিনও আপনার হবে না।

About admin

Check Also

‘ধর্ষ*ক সাইফুল নির্যাতন করতো নিজের মেয়েকেও, শ্বাশুড়ির সাথে ছিল অনৈতিক সম্পর্ক’!

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে পাঁচ বছরের শিশু পূজার ধর্ষ*ক নরপিশাচ সাইফুল ইসলাম ওরফে কালা সাইফুলকে ৭ দিনের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *